মাইজভান্ডারী সংগীত (ভিডিও)

এ্যালবামঃ ভান্ডারীর শাজরা
শিল্পীঃ আহমদ নুর আমিরী

এ্যালবামঃ ভান্ডারীর শাজরা
শিল্পীঃ আহমদ নুর আমিরী

গাউছে ধনের কৃপা দান
শিল্পীঃ আহমদ নুর আমিরী

ইশকের ভান্ডার-১
শিল্পীঃ আহমদ নুর আমিরী

ইশকের ভান্ডার-২
শিল্পীঃ আহমদ নুর আমিরী

ইশকের ভান্ডার-৩
শিল্পীঃ আহমদ নুর আমিরী

ইশকের ভান্ডার-৪
শিল্পীঃ আহমদ নুর আমিরী

ইশকের ভান্ডার-৫
শিল্পীঃ আহমদ নুর আমিরী

ইশকের ভান্ডার-৬
শিল্পীঃ আহমদ নুর আমিরী

ইশকের ভান্ডার-৭
শিল্পীঃ আহমদ নুর আমিরী

ইশকের ভান্ডার-৮
শিল্পীঃ আহমদ নুর আমিরী

ইশকের ভান্ডার-৯
শিল্পীঃ আহমদ নুর আমিরী

ইশকের ভান্ডার-১০
শিল্পীঃ আহমদ নুর আমিরী

জিকরে মাইজভান্ডারী
শিল্পীঃ আহমদ নুর আমিরী

Latest News

মাইজভান্ডার দরবার শরীফে ঈদে মিলাদুন্নবী (স:) উদযাপিত

মাইজভান্ডার দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন আলহাজ্ব মওলানা শাহসুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (ম:) বলেছেন, রাসূলে করিম (স:) মানবজাতির জন্য আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামত। তিনি বলেন-রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামই সকল ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকারকে সমুন্নত রেখে বিশ্ববাসীর সামনে মানবতা ও মানবাধিকারের নজির সৃষ্টি করেছিলেন। ইসলামের সাম্য ও ভ্রাতৃত্বে অনন্য দর্শনকে তুলে ধরেছিলেন।

শনিবার বাদ জোহর থেকে মাইজভান্ডার দরবার শরীফ শাহী ময়দানে আয়োজিত ঈদে মিলাদুন্নবী (স:) মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী বলেন, রাসূল (স:) এর আদর্শ বিচ্যুত কেউ প্রকৃত ইসলামের অনুসারী হতে পারে না।

প্রধান অতিথি ইমামে আহলে সুন্নাত আল্লামা কাযী নুরুল ইসলাম হাশেমী (ম:) বলেন, ইসলামের নামে অন্য ধর্মের মানুষের অধিকার হরণ যেমনিভাবে কোনো প্রকৃত ঈমানদাররা মেনে নিতে পারে না, তেমনিভাবে মিয়ানমার, ফিলিস্তিনিসহ মুসলিম দেশে দেশে গণহত্যাও বরদাশত করতে পারে না। মুসলিম গণহত্যার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদের আহ্বান জানান তিনি।

নায়েব সাজ্জাদানশীন আলহাজ্ব শাহজাদা সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভান্ডারী (ম:) বলেন, সূফীবাদ হলো শান্তি-সম্প্রীতি ও মানবিক দর্শন। ইসলামের প্রকৃত চর্চা ও অনুশীলনে সূফীবাদই সঠিক পথ। বিভিন্ন নামে বিশ্বে ত্রাস সৃষ্টিকারী জঙ্গিরা কখনো ইসলামের অনুসারী হতে পারে না। ওদের বড় পরিচয় ওরা সন্ত্রাসী, খুনি ও দুর্বৃত্ত। এদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে গণজাগরণ সৃষ্টি করতে হবে। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন- আলহাজ্ব সৈয়দুল হক খান, মাইজভান্ডারী ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন সৈয়দ সোহেল হাসনাত, ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক জহিরুল ইসলাম চৌধুরী আলমগীর,শাহজাদা সৈয়দ এরহাম হোসাইন মাইজভান্ডারী।

মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন- গহিরা এফ কে জামেউল উলুম কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ নুরুল মুনাওয়ার (ম:), জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসার শায়খুল হাদিস আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ ওবাইদুল হক নঈমী (ম:)। তকরির পেশ করেন- সোবহানিয়া আলিয়া মাদ্রাসার প্রধান মুহাদ্দিস আল্লামা কাজী মুঈনুদ্দীন আশরাফী, জমিয়াতুল ফালাহ্ জাতীয় মসজিদের খতিব অধ্যক্ষ আল্লামা ক্বারী সৈয়দ আবু তালেব মুহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী, জামিজুরী রজভিয়া আজিজিয়া সুন্নিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আল্লামা মুফতি আহমদ হোসাইন আল কাদেরী, ঢাকা গাউছুল আজম জামে মসজিদের খতিব আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ বখতেয়ার উদ্দীন আল কাদেরী, মাইজভান্ডার দরবার শরীফ শাহী জামে মসজিদের খতিব মওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ বশির উল আলম, মওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান আজহারী, মওলানা হাফেজ মুহাম্মদ মহিউদ্দীন আল কাদেরী, মওলানা হারুনুর রশিদ আল কাদেরী, মওলানা হোসাইন আহমদ ফারুকী, মওলানা আব্দুস শুক্কুর আনসারী, মওলানা ইব্রাহিম আল কাদেরী, মওলানা সাখাওয়াত হোসাইন বারকাতী।

মাহফিল শেষে মোনাজাত শরীফ পরিচালনা করেন সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম রাহনুমায়ে শরীয়ত ও ত্বরিকত হযরত আলহাজ্ব মাওলানা শাহ ছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারী (ম:জি আ:)

Read More News..

‘মাইজভান্ডারী প্রকাশনীর’ প্রকাশিত সুফিতাত্ত্বিক গ্রন্থাবলি

  • হযরত গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর জীবনী ও কেরামত (বাংলা ও ইংরেজী)
  • বেলায়তে মোত্‌লাকা
  • মূলতত্ত্ব বা তজকীয়ায়ে মোখতাছার
  • মিলাদে নববী ও তাওয়াল্লোদে গাউছিয়া
  • বিশ্বমানবতায় বেলায়তের স্বরূপ
  • মানব সভ্যতা
  • মুসলিম আচার ধর্ম
  • আয়নায়ে বারী
  • মাইজভান্ডারী কায়দা
  • রত্ন ভান্ডার (১ম ও ২য় খন্ড)
  • জ্ঞানের আলো (ম্যাগাজিন)
  • আমালে মকবুলীয়া ফি ফয়উজাতে গাউছিয়া
  • তত্ত্বভান্ডার
  • জ্ঞানভান্ডার
  • শানে গাউছে মাইজভান্ডার
Download From here...
গাউছুল আজম হযরত মওলানা শাহ্‌ ছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী (কঃ) –এঁর বাণী

“তাহাজ্জুদের নামাজ পড়,ছালাতু তছবীহের নামাজ পড়িও, কোরান শরীফ তেলাওয়াত করিও।”

“কবুতরের মত বাছিয়া খাও। হারাম খাইও না, নিজ সন্তান সন্ততি নিয়া খোদার প্রশংসা কর ।”

সাজ্জাদানশীনে গাউছুল আজম হযরত সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভান্ডারী (কঃ)-এঁর বাণী

“গাউছে মাইজভান্ডারীর আদর্শ উর্ধে তুলিয়া ধরিলে বিশ্ববাসীর চোখ চট্টগ্রামের মাইজভান্ডার দরবার শরীফের দিকে ঘুরিয়া যাইবে।”

সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম আলহাজ্ব হযরত সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (মঃ)-এঁর বাণী

“ঈমান ছাড়া এত্তেবা হয়না,এত্তেবা ছাড়া মোত্তাবেয়ীন হওয়া যায়না।”

মনীষীদের মন্তব্যে গাউছুল আজম হযরত সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারীর (কঃ) মাহাত্ম্যঃ

সমসাময়িক ও পরবর্তি ছুফী ওলামায়ে কেরাম তাঁর প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাঁর গাউছে আজমিয়তের স্বীকৃতি দিয়েছেন-
“গাউছে মাইজভান্ডারীর নিঃশ্বাসের বরকতে পূর্বদেশীয় লোকেরা খোদা পন্থী ,হাল ও জজ্‌বার অধিকারী হয়েছে। তিনি কবরস্থ হওয়ার ফলে বিভিন্ন কবরে উজ্জ্বলতা ও জালালী দেখা দিয়াছে। আহমদ উল্লাহ যিনি, তিনি সমস্ত অলিদের সর্দার যাহার ‘ছিফত’ উপাধি গাউছুল আজম।”-মরহুম মওলানা জুলফিকার আলী সাহেব।

“হযরত শাহ্‌ আহমদ উল্লাহ কাদেরী,যিনি ভূখন্ডের পূর্বাঞ্চলে বিকশিত কুতুবুল আক্‌তাব। তিনি মাইজভান্ডার সিংহাসনে অধিষ্ঠিত গাউছুল আজম নামধারী বাদশাহ।–
রসুলুল্লাহ (সঃ) এঁর নিকট বেলায়তে ওজমা বা শ্রেষ্ঠ বেলায়তের দুইটি সম্মান প্রতীক বা তাজ ছিল। এই সম্মান প্রতীক বা তাজ দুইটির মধ্যে একটি হযরত শাহ্‌ আহমদ উল্লাহ (কঃ) এঁর মস্তক মোবারকে নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত।
যেই কারণে তিনি পূর্বাঞ্চলে আবির্ভূত গাউছুল আজম বলিয়া খ্যাত,সেই কারণে তাঁহার রওজা মোবারক মানব-দানবের জন্য খোদায়ী বরকত হাছেলের উৎসে পরিণত হইয়াছে। ”- ,আলহাজ্ব মওলানা ছৈয়দ আজিজুল হক আল কাদেরী ছাহেব (শেরে বাংলা)

Upcoming Events

সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম রাহনুমায়ে শরীয়ত ও ত্বরিকত আলহাজ্ব হজরত মাওলানা শাহ্‌ ছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (মঃ) এঁর আয়োজন ও ব্যবস্থাপনায় মাইজভান্ডার দরবার শরীফে ২৭ রবিউল আওয়াল ঈদে মীলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম।

১০ মাঘ ২৩ জানুয়ারী ২০১৮ ইং গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী হজরত মাওলানা শাহ্‌ ছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (কঃ) এঁর ১১২ তম ওরশ শরীফ।

সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম রাহনুমায়ে শরীয়ত ও পীরে ত্বরিকত হযরত আলহাজ্ব মাওলানা শাহ্‌ ছুফি সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (মঃ জিঃ আঃ) এঁর ব্যবস্থাপনা ও পৃষ্ঠপোষকতায় ২৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ইং ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প।

গাউছিয়ত নীতি

১। তেলাওয়াতে অজুদঃ নির্জন সময়ে গত দিনের ভাল-মন্দ কাজ-কর্মের বিচার ,চিন্তা ও ধ্যানের মাধ্যমে মন্দের জন্য অনুতাপ, অনুশোচনা,ভালোর জন্য নিজ পীরের অনুগত্য এবং খোদার সাহায্য কামনা ,মোনাজাত ,বিনয়ে প্রার্থনা –অনিবার্য। ফলে খোদা পথচারী নাছুত্‌ভাব কামনার উর্ধে ‘লাওয়ামা’ ‘মলকুত’ শক্তি জগতে উত্থিত হইতে সক্ষম হয়। যাহাকে ছুফি পরিভাষায় ‘ফানা আনিল খালক্‌’ বলে।

২। অনর্থ পরিহারঃ যাহা না হইলে চলে ও উপকার বিহীন ,এহেন কাজ-কর্ম,কথাবার্তা,বাক্‌বিতন্ডা ত্যাগ ,পরিহার,এড়াইয়া চলা এবং পরের দোষ তালাস না করা ,পরমুখাপেক্ষীতা ও পরশ্রীকাতরতা – বিমুখ হইয়া ,নিজ শক্তি সামর্থে হালাল রুজির প্রতি আস্থাশীল হওয়া। অপচয় ,অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার-যথাঃপান,বিড়ি-সিগারেট,অলঙ্কার,অঙ্গ বিকৃতকারী পোষাক পরিচ্ছদ,পবিত্র কোরান যাহাকে ‘মর্হান’ অহংকারী ‘ফাখুরাণ’ গর্বকারী বলে নির্দেশ করেছে,যাহা মানবের দৈহিক ,নৈতিক অবনতি ঘটায়, কর্ম বিমুখতা,অভাব অনটন ,আর্থিক দুর্গতি আনয়ন করে। ভূষণ,ফ্যাসন,মোহের ফলে আদি অসভ্যতা ‘পছন্দ’ হইয়া পড়ে। সুতরাং এ সমস্ত পরিহারের ফলে খোদা পথচারী ‘ছালেক’ কোরানের বাণী “মান্নাহান্‌ নাফ্‌ছা আনিল হাওয়া ফাইন্নাল জান্নাতা হিয়াল মাওয়া” মতে নিশ্চিত স্বর্গবাসী, ইহাকে ছুফি পরিভাষায় বলে ‘ফানা আনিল হাওয়া’।

৩। সন্তোষঃ খোদার মঙ্গলদায়ক ইচ্ছা শক্তির নিকট নিজ সংসার স্বার্থ বুদ্ধিকে নত করিয়া মঙ্গলদায়ক রূপের ধ্যানে ‘ছাবের’ ধৈর্যের সহিত অপেক্ষা করা। যেহেতু স্রষ্টা সৃষ্টির রক্ষক,পালক,বর্দ্ধক,মঙ্গলদায়ক। ছুফি পরিভাষায় এই গুনজ প্রকৃতিকে বলে ‘তছলিম’ বা ‘রজা’। এই ত্রিবিধ নীতিমালাই ‘ফানায়ে ছালাছা’ বা বিনাশ পদ্ধতি । যাহা হযরত গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী কেবলার সপ্ত পদ্ধতির অন্তর্গত। প্রথম অংশ ‘এবাদাতে মোত্‌নাফিয়া’ হিসাবে ‘ছালেক’ খোদা পথচারীর জন্য অপরিহার্য। উপরোক্ত গাউছিয়ত নীতিহীন,বিমুখ ব্যক্তির মাইজভান্ডারী তরিকার অনুসারী দাবী করা চলেনা।

বিনীত
খাদেমুল ফোক্‌রা সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভান্ডারী
সাজ্জাদানশীন,গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিল,মাইজভান্ডার শরীফ,ফটিকছড়ি,চট্টগ্রাম। সুত্রঃমানব সভ্যতা